Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

(ক) পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন খাতে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অধিদপ্তরীয় সেবাসমূহঃ

১) ঢাকা, চট্রগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও খুলনা শহর ব্যতীত সমগ্রদেশের পল্লী  ও শহরাঞ্চলে (সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা সদর এবং গ্রোথ সেন্টার) নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন (পয়ঃনিস্কাশন, নর্দমা ও কঠিন বর্জ্য আবর্জনা নিষ্কাশন) ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে Lead Agency হিসাবে দায়িত্ব পালন।
২) বাংলাদেশের পল্লী এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদের সহায়তায় ও পৌর এলাকায় পৌরসভার সহিত নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাসত্মবায়ন। এছাড়াও পৌর এলাকায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থ্যার অবকাঠামো নির্মাণ ও কারিগরী সহায়তা প্রদান। তাছাড়া পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান (ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন) সমূহকে কারিগরী সহায়তা প্রদান।
৩) মানব সম্পদ উন্নয়নের কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল গড়ে তোলা।
৪) সমগ্রদেশে খাবার পানির গুনগতমান পরীক্ষা, পরিবীক্ষন ও পর্যবেক্ষণ।

৫) ভূ-গর্ভস্থ ও ভূ-পৃষ্ঠস্থ নিরাপদ পানির উৎস অনুসন্ধান।

৬) নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানার ব্যবহার ও ইনভায়রনমেন্টাল স্যানিটেশন সংক্রামত্ম স্বাস্থ্যবিধি পালন সম্পর্কে জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণ।

৭) আর্সেনিক আক্রামত্ম ও অন্যান্য সমস্যা সংকুল এলাকায় (লবনাক্ত, পাথুরে পাহাড়ি ইত্যাদি) নতুন লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ ব্যবস্থা গ্রহণ।

৮) পানি সরবরাহ ও এনভায়রনমেন্টাল স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে স্বল্প ব্যয়ে লাগসই প্রযুক্তি  অনুসন্ধান, গবেষণা ও উন্নয়ন।
৯) আপদকালীন (বন্যা, সাইক্লোন ইত্যাদি) সময়ে জরুরী ভিত্তিতে পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা করা।

১০) তথ্যকেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন সেক্টরের তথ্য ব্যবস্থাপনা সমৃদ্ধি ও আধুনিকীকরণ।
১১) স্থানীয় সরকার, বেসরকারী উদ্যোক্তা, বেসরকারী সংস্থা এবং সিবিও সমূহকে পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নয়নে কারিগরী পরামর্শ,তথ্য সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ প্রদান।
১২) নিরাপদ খাবার পানি নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম গ্রহণ এবং এজন্য পর্যায়ক্রমে দেশের সকল পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় ওয়াটার সেফটি প্লান (WSP)বাস্তবায়ন।

(খ) উপকার ভোগীঃ আনসার্ভড ও আন্ডারসার্ভড এলাকায় বসবাসরত জনগণ।